ডিপ্লোমার ইঞ্জিনিয়ারিং আশা-আশরাফুল আলম

ডিপ্লোমার ইঞ্জিনিয়ারিং আশা
আশরাফুল আলম

ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বো ছিল এক স্বপ
ছিলনা ভয়, ছিলনা চিন্তা শুধু ছিল ভরশা
আন্তর্জাতিক সনদ পাব ছিল প্রত্যাশা।

আজ দেখি চারদিকে মরিচিকা বেড়া
সনদের নাহি মূল্য যদি না থাকে
হাতের কাজ জানা।
শিক্ষাগুরু জন বলে,
আজ সিজিপিএ দাম নাই নাহি থাকে কাজ জানা

সরকারিতে নিয়োগ নাই বেসরকারিতে মূল্যায়ন নাই।
সরকার খুলেছে ৩৪ বিভাগ
চাকরি ক্ষেত্রে দেখি ৩-৪ বিভাগ
বাকাশিবো ছিল অপরাধ
এই সমস্যার সমাধার কোন প্রদক্ষেপ নাই
তাইতো আমরা নামকরণ করি অবহেলিত বিভাগ

জন্মেছি এ কেমন দেশে বলতে লাগে লাজ
সম বিদ্যাপঠন শেষ করে হয় অফিসার।
আমরা থাকতে হয় অবহেলিত আজ
লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী বড় অসহায়।

ত্রিশ বিভাগের ছাত্র যারা
চোখে মুখে ধুলা বালি সারা শরীর ছড়াই
তাদের আত্মচিৎকার কেউ শুনে নাহি
নিরবে শুধু বলে যায় কী করিলাম আই
এই বিভাগুলোতে না পড়িলে কি যে ভাল হত

তবে আজ আশরাফুল লিখে যাই
কেন এতো বিভাগ
যদি নাহি থাকে তাদের দরকার
এতগুলো মানুষে ভবিষ্যৎ অসহায়
জবাব দিবে কে বলতো
নাহি জানা আর

ডিপ্লোমাদের কিছু কথা তুলে ধরতে চাই
নিয়োগ নিয়ে শুধু বৈষমতার শিকার আমারাই

১৯৯১ সালে নীতমালায় নিয়োগ দিয়ে যায়
পরে হলো ৩০ বিভাগ তাদের কি উপায়
এই নিয়ে কারুর কোন মাথা ব্যথা নাই।
আমি এই বিভাগ বিদ্যাপীঠ কিছু লিখে যায়।

আমার কথা তাদের কাছে
কিছু আসে যায়
আমরা নয় কিভা বাঙ্গালি নাই অধিকার।
এই কথাগুলো বলতে মাধ্যম পাইনা
পত্রিকার পাতা কলাম গুলো
আমাদের তো নাই
আমরা তো অবহেলিত এটাই বড় অপরাধ।

বাকাশিবো আমাদেরকে নিয়ে মাথা ব্যথা
তাদের নাহি দরকার
আছে তিন-চার বিভাগ আর নাহি দরকার।
আমরা পড়াশোনা করেছি ডিপ্লোমাতে বড়ই হতভাগ।

Leave a Comment